কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র তৃতীয় অধ্যায়ের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হলো।
বীজ উৎপাদন কৌশল
পিঁয়াজ, আলু ও সরিষা
১ম পরিচ্ছেদ
১। বীজ উৎপাদনের ক্ষতিকারক জাব পোকার আশ্রয়দানকারী ফসল কোনটি? [CB 17]
| পোকা/পরগাছা |
আশ্রয়দানকারী ফসল |
| জাব (প্রধান ক্ষতিকর পোকা) |
সরিষা |
| কাটুই পোকা |
আলু নোট: প্রধান ক্ষতিকর পোকা |
| আরোবাংকি (পরগাছা) |
সরিষা |
২। বাংলাদেশ বীজ বিধি ১৯৯০ অনুসারে বীজ ৩ প্রকারঃ [CB 17]
- প্রজনন বীজ/মৌল বীজ
- ভিত্তি বীজ/প্রাথমিক বীজ
- প্রত্যায়িত বীজ
৩। বীজ সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য তথ্য এক নজরে –
-
✓ ফসল চাষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
৪। বীজ শোধন কেন করা হয়?
| বিষয় |
কারণ / উদ্দেশ্য |
| বীজ ফসলের পরিচর্যা |
জীবাণু দূরীকরণ |
| বীজ শোধন |
বীজ ছোট বলে বপনে সুবিধা |
| পিঁয়াজের বীজে ছাই মেশানো |
সংরক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় |
| আলুর গ্রেডিং |
জাত বিশুদ্ধকরণ |
| রোগিং |
ত্বক শক্ত রাখে |
| হামপুলিং |
আকার ঠিক রাখে |
৫। বীজ শোধনের ঔষধ কোনটি?
বীজ শোধনের ঔষধঃ ✓ ভিটাভেক্স
৬। কতটি পদ্ধতিতে পিঁয়াজের বীজ উৎপাদন করা হয়?
| ফসলের নাম |
উৎপাদন পদ্ধতি |
| পিঁয়াজ |
২টি |
| আলু |
প্রতিটি কর্তিত অংশে ২টি চোখ থাকতে হয়। |
৭। পিঁয়াজের বীজ ফসলে জমির পৃথকীকরণ দূরত্ব কত?
| ফসলের নাম |
বীজ ফসলে জমির পৃথকীকরণ দূরত্ব |
| পিঁয়াজ |
৪০০ মিটার |
| আলু |
৩০ মিটার |
| জাব পোকার আশ্রয়কারী ফসল |
৯০ মিটার |
৮। পিঁয়াজ পাতার প্রায় শতকরা কত ভাগ অগ্রভাগ ভেঙে গেলে ফসল তোলা শুরু হয়?
| ফসলের নাম |
ফসল পরিপক্বের সময় |
| পিঁয়াজ |
৭০ - ৮০ ভাগ ভেঙে গেলে |
- ৯। আলু সংগ্রহের ৭ - ১০ দিন পূর্বে হাম পুলিং করা হয়।
- ১০। আলু বীজ হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়।
- ১১। ৩টি পর্যায়ে রোগিং করা হয়।
- ১২। হামপুলিং করা হয় আলুতে।
১৩। সরিষা পাতা ঝলসে যায় কেন?
| রোগের নাম |
লক্ষণ |
| পাতা ধসা রোগ |
- সরিষার পাতা ঝলসে যায়
- পাতা ও ফলে চক্রাকার গোল দাগ দেখা যায়।
|
কৃষি শিক্ষা নোট
বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ (২য় পরিচ্ছেদ)
১। সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে উপযুক্ত আর্দ্রতা কত হওয়া উচিত?
| বিষয় |
উপযুক্ত আর্দ্রতা |
| বীজ সংরক্ষণ |
৮ - ১২% |
| ধান বীজ সংগ্রহ |
১০ - ১২% |
| দানা জাতীয় বীজ সংরক্ষণ |
১০ - ১২% |
২। পোকার বংশবিস্তার বন্ধ হয়ে আসে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়।
পাটের রিবন রেটিং (৩য় পরিচ্ছেদ)
এক নজরে পাটের রিবন রেটিং পদ্ধতি:
| বিভাগ |
বিস্তারিত তথ্য |
| শাব্দিক অর্থ |
Ribbon = ফিতা, Retting = পচানো |
| সংজ্ঞা |
ফিতার আকারে পাটের ছাল পঁচিয়ে পচানোকে রিবন রেটিং বলে। |
| যন্ত্র |
রিবনার |
| প্রতি কেজি পাটের জন্য পানির পরিমাণ |
২.৫ - ৩ লিটার |
| উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান |
BJRI |
| পাট পচাতে সময় |
১০ - ১২ দিন |
| ১০০০ কেজি কাঁচা ছালের জন্য ইউরিয়া দরকার |
০.১ কেজি |
| এ পদ্ধতিতে পাট পচানোর কারণ |
পানির অভাব |
| সুবিধা |
- আঁশের মান উন্নত হয়
- সময় কম লাগে
|
| বিকল্প নাম |
পাট পচানোর বিকল্প পদ্ধতি |
অণুজীব সার উৎপাদন কৌশল - ৪র্থ পরিচ্ছেদ
১. কোনটি ব্যাকটেরিয়া?
| অণুজীবের নাম |
ধরণ |
| রাইজোবিয়াম |
ব্যাকটেরিয়া |
| ট্রাইকোডার্মা |
✓ মিথোজীবী ছত্রাক ✓ উপকারী ছত্রাক |
| ট্রাইকোডার্মা |
ডক্টর ফাঙ্গাস |
| অ্যাজোলা |
জলজ উদ্ভিদ |
২. কম্পোস্ট দ্রুত পঁচাতে কোন অণুজীব ব্যবহার করা হয়?
| অণুজীব সার |
কার্যাবলী |
| ব্যাসিলাস |
কম্পোস্ট দ্রুত পঁচাতে ব্যবহার করা হয় |
| ট্রাইকোডার্মা |
কম্পোস্ট তৈরীর অণুজীব |
| অ্যাজোলা |
✓ মাটিতে নাইট্রোজেন যুক্ত করে ✓ জৈব সার যুক্ত করে |
| অ্যাজোটোব্যাকটর ক্লসট্রিডিয়াম |
নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে |
| ট্রাইকোডার্মা |
✓ বিষাক্ত নয় ✓ পরিবেশ বান্ধব |
৩. শিম জাতীয় শস্য চাষ করলে কোনটি সংযোজন হয়?
উত্তরঃ নাইট্রোজেন
৪. ট্রাইকোডার্মা পঁচনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে হারজিনাম।
৫. অ্যাজোলা ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সারের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
| অণুজীব |
কার্যাবলী ফসল |
| অ্যাজোলা |
ধান |
| রাইজোবিয়াম |
শিম জাতীয় ফসল |
৬. রাইজোবিয়াম সার ব্যবহারে সয়াবিনের ফলন ৭৫ - ১০০% বৃদ্ধি পায়।
৭. অ্যাজোলা চাষের ফলে প্রতি হেক্টর জমিতে ২৫০ - ৫০০ কেজি নাইট্রোজেন যুক্ত হয়।
রেশম চাষ
৫ম পরিচ্ছেদ
| ১। এক নজরে রেশম চাষ: |
| প্রচলিত নাম / ইংরেজী নাম |
Sericulture (সেরিকালচার) |
| কৃষক কর্তৃক দেয়া নাম |
পলু চাষ |
| রেশম পোকার খাদ্য |
তুত গাছের পাতা |
| সেরিকালচার বোর্ড প্রতিষ্ঠা |
১৯৭৭ |
| রেশম লার্ভার রূপান্তর |
৪টি ধাপে ঘটে |
| রেশম পোকার দেহ নিঃসৃত আঁশের কাপড় |
রেশমি/Silk |
| The Silk City |
রাজশাহী |
| বাংলাদেশের রেশম চাষের জন্য বিখ্যাত |
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলা |
| রেশম চাষের কারণ |
অর্থনৈতিক উন্নয়ন |
| রেশম পোকার জাত শত্রু |
উজি মাছি |
| রেশম পোকার জন্য ক্ষতিকর |
- উজি মাছি - লাল পিঁপড়া |
| রেশম চাষের প্রধান ধাপ |
কুকন তৈরী |
নোটঃ রেশম পোকা মুখ নাড়াচাড়া করে যে সুতা দিয়ে আবৃত থাকে তাকে কুকন বলে।
মাশরুম চাষ
৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ
| ১। এক নজরে মাশরুম চাষ সম্পর্কীত গুরুত্বপূর্ণ দিক - |
| মাশরুম কী? |
ছত্রাক |
| সারা বছর চাষ যোগ্য মাশরুম |
ওয়েস্টার, কার্ন, পপলার |
| মৌসুম অনুযায়ী প্রকারভেদ |
৩ প্রকার |
| ২০০ গ্রাম শুকনো মাশরুমে আমিষ থাকে |
৫০ - ৭০ গ্রাম |
| বাংলাদেশের চাষ উপযোগী সর্বোত্তম মাশরুম |
ওয়েস্টার মাশরুম |
| মাশরুমের বীজ |
স্পন |
| মাশরুমের রোগ |
ফুসকুড়ি |
| চাষ করে মাশরুম কতদিন রাখা যায় |
৭ - ৯ দিন |
| উত্তম তাপমাত্রা |
৩০ - ৩২ ডিগ্রি সেল. |
| স্পন প্যাকেট |
ইংরেজি "D" - অক্ষরের মত |
| মাশরুম জন্মানোর জন্য প্রয়োজন |
অক্সিজেন, খাদ্য |
| রোগ প্রতিরোধে মাশরুম |
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তশূন্যতা, হেপাটাইটিস B |
মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদন পদ্ধতি
৭ম পরিচ্ছেদ
| এক নজরে মৌমাছি পালন সম্পর্কিত তথ্যাবলি - |
| প্রচলিত নাম |
এপি কালচার / মৌমাছি পালন বিদ্যা |
| মৌমাছি পালনের খামার |
এপিয়ারি |
| বাংলাদেশে চাষযোগ্য মৌমাছির জাত |
এপিস মেলিফেরা |
| শ্রম বিভাগ অনুযায়ী প্রকারভেদ |
৩ প্রকার |
| মধু উৎপাদনের উত্তম সময় |
বসন্তকাল |
| উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটায় |
কর্মী মৌমাছি |
| মৌমাছির ড্রোন |
পুরুষ মৌমাছি |
| বাংলাদেশে মৌমাছির বাণিজ্যিক চাষ |
১৯৭৯ সালে শুরু হয় |
| উৎকৃষ্ট মানের মধু |
কালিজিরা, জাম |
| ক্ষতিকর পতঙ্গ |
মাকড়সা |
| মৌচাকে গুরুত্বপূর্ণ মৌমাছি |
রানী মৌমাছি |
| মধু চাষের জন্য সুবিখ্যাত |
Apis mellifera |
| একটি কলোনির জন্য রানী মৌমাছি |
১টি |
| মধু থেকে আমরা পাই |
ভিটামিন ও খনিজ লবণ |
| রানী মৌমাছির বৈশিষ্ট্য |
- আকারে সবচেয়ে বড়
- ডিম পাড়া তার একমাত্র কাজ
- জীবনকাল ৩ বছর
|
কৃত্রিম প্রজনন
৮ম পরিচ্ছেদ
| এক নজরে কৃত্রিম প্রজনন সম্পর্কিত তথ্যাবলি |
| গাভীর ঋতুচক্রের সময় |
১৯ – ২১ দিন |
| হিমায়িত বীর্যের তাপমাত্রা |
– ১৯৬ ডিগ্রি সেল. |
| গাভী গরম হওয়ার পর পাল দেবার সময় |
১২ – ১৮ ঘণ্টা |
| তরলীকৃত বীর্য দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজন |
তরল নাইট্রোজেন |
| গাভীর বাচ্চা প্রসবের সময়কাল |
২৭০ – ২৮৫ (২৮০ ± ১০) দিন |
| তরলীকরণ পদ্ধতির ক্ষেত্রে ফ্রিজে সিমেন সংরক্ষণের তাপমাত্রা |
– ৪ ডিগ্রি সেল. |
| কৃত্রিম প্রজননের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কাজ |
প্রজননের সময় নিরূপণ |
| গাভীর গর্ভধারণের সফলতা নির্ভর করে |
সিমেনের গুণগত মানের উপর |
| উন্নত জাতের গরু পাবার উদ্দেশ্যে প্রজনন |
৮/৯ বার |
Post a Comment